অভিমান (love story)

-বাবু তুমি এত কিউট করে কেমনে হাসো? (প্রতিজ্ঞা)
-কিউট করে না হাসলে তুমি হাতছাড়া হয়ে যাবে তো তাই (প্রত্যয়)
-কিইইই? (প্রতিজ্ঞা খুব রাগ করছে)
-সরি সরি, এমনি বাবুনি একটু মজা করছিলাম। আমি তো তোমার জন্যই তো কিউট করে হাসি, আমার সব হাসি তো তোমার জন্যই। (প্রত্যয়ও আরেকটা হাসি দিয়ে বললো)
-থাক, আর মিথ্যা বলতে হবে না। বুঝছি আমাকে তোমার অন্য সব মেয়েদের মতই মনে হয়, আমাকে তুমি একটুও ভালবাসো না। (অভিমান করে বলতেছে)
-আরে না, আমি তো তোমাকে অনেক ভালবাসি। তাই তো অন্য মেয়েদের সামনে কিউট করে হাসতে পারি না। (প্রত্যয়ও আহ্লাদ করে বললো)
-কিইই, কি বললা তুমি? অন্য মেয়েদের সামনেও তুমি হাসতে চাও তাহলে? আমাকে ছেড়ে অন্য মেয়েদেরকেও নিয়ে চিন্তা কর। তোর সাথে আর কোনো কথা নাই। তুই থাক ওই মেয়েদের নিয়ে। খবরদার ভুলেও আর আমার সামনে আসবি না। তবে তোকে খুন করে ফেলবো। (এবার মেয়ে অনেক বেশি রাগ করে ফেলছে। তাই তুমি থেকে তুই এ চলে গেছে। আর ব্যাগ হাতে নিয়ে বসা থেকে দাঁড়িয়ে গেছে)
-ওই ওই ওই দাড়াও। আরে না বাবুনি আমি তো আর কোনো মেয়েদের সাথেই কথা বলি না। এইটা ভুলে মুখ দিয়ে এসে পড়ছে। প্লিজ রাগ করো না প্লিজ (সেও রাগ ভাঙ্গানোর চেষ্টা করছে)
-ওই এখন একদম মিথ্যা বলবি না। সত্য কথা মুখ দিয়ে বের হয়ে গেছে। এখন শাঁক দিয়ে মাছ লুকানোর চিন্তা (রাগ ধীরে ধীরে বাড়তেছে)
-আরে না বাবুনি শাক দিয়ে মাছ লুকানো যায় না। আমি ভাত দিয়েও তো তোমার সামনে মাছ লুকাতে পারবো না, তুমি ধরে ফেলবা। প্লিজ বাবুটা রাগ করে না প্লিজ, (আবারো অনেক আহ্লাদ করে বললো)
-ওই একদম না। একদম বানিয়ে বানিয়ে কথা বলবা না। আমি গেলাম। ভুলেও আমার পিছু নিবা না। (বলেই প্রতিজ্ঞা হাঁটা শুরু করছে সামনের দিকে)
-আচ্ছা ঠিক আছে (এবার প্রত্যয় খানিকটা অভিমান করলো)
সেও আর পিছু নিলো না। দাঁড়িয়েই থাকলো এবং দাঁড়িয়েই থাকবে। কারণ সে জানে যে একটু পরেই তার প্রতিজ্ঞা তার কাছেই ফিরে আসবে। ফিরে এসে সরি বলে আবার তার বুকেই ঠাঁই নিবে। আর সাথে থাকবে একগুচ্ছ অভিমান। সেও এই অভিমান গুলোকে আরো বেশি করে ভালবাসবে। হু এই ছোট ছোট অভিমানগুলোই তার ভালবাসার সবচাইতে বড় উপহার। প্রত্যয়ও এই অভিমান গুলোকে আপন করে তার প্রিয়তমাকে তার বুকেই জায়গা করে দিবে।
.
.
.
.
হু সত্যিকারের ভালবাসাগুলোতে কিছু খুনশুটি আর কিছু অভিমান সবসময় থাকবে। 

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ